ঘটনাটি ২০১৭ সালের ১৭ আগস্ট বার্সালোনার ইতিহাসের এক কালো দিন। কারণ দিনের বেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। সেদিন লাস রাম্বলাসের রাস্তায় পথচারীদের ওপর দিয়ে গাড়ি তুলে দিয়েছিলেন এক জঙ্গি। যেই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১৩ জনের মৃত্যু ঘটেছিলো আর এক জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর মারা যান। আহত হন শতাধিক।

তার ঠিক ৯ ঘণ্টা পরেই আরেকটি হামলা হয়েছিলো ক্যামব্রিলসে। আর সেটিও একই সংগঠনেরই চক্রান্ত ছিলো। সে হামলায় এক পথচারী নিহত হন। তবে সেই হামলায় জড়িত পাঁচজন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। সে মর্মান্তিক দৃশ্যপটের এক ববছর পূর্ণ না হতেই বেরিয়ে আসছে ভয়ংকর নতুনি সব তথ্য।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, “এ ঘটনার পর ন্যু ক্যাম্পে হামলার পরিকল্পনা করছিল জঙ্গি সংগঠনটি! ২০ আগস্ট বার্সেলোনা-বেটিস ম্যাচে স্টেডিয়ামে হামলার পরিকল্পনাও ছিল তাদের।”  স্প্যানিশ পত্রিকা এল পেরিওদিকো দাবি করেছে, লাস রাম্বলাস ও ক্যামব্লিলসে হামলার পর ২০ তারিখ আরও বেশি কিছু জায়গায় হামলার ইচ্ছা ছিল জঙ্গি সংঘটনটির।

গোয়েন্দারা দাবি করেছে, হামলার তদন্তের সময় বেশ কিছু তথ্য বের হয়েছে, যাতে পরিষ্কার ইঙ্গিত ছিল ক্যাম্প ন্যু ছিল তাদের পরবর্তী লক্ষ্য। সেই হামলায় জড়িত মোহাম্মদ হিশামির মোবাইলে বার্সেলোনার বিখ্যাত স্টেডিয়ামের ছবি পাওয়া গিয়েছিল। তদন্তের সঙ্গে জড়িত এক সূত্র জানিয়েছে, এটা খুবই সম্ভব প্যারিসে সেন্ট ডেনিস স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের খেলার সময় যেভাবে হামলা হয়েছিল, ঠিক একই পদ্ধতিতে হামলা করতে চেয়েছিল এরা।

এ ছাড়া বার্সেলোনার অফিশিয়াল দোকানেও হামলাকারীর দলের অন্তত দুই সদস্যকে (ক্যামব্রিলসে নিহত) কেনাকাটা করতে দেখা গিয়েছিল। দোকান থেকে সমর্থকদের মতোই বিভিন্ন পণ্য কিনছিলেন তারা। ম্যাচের দিন সমর্থক সেজে হামলার পরিকল্পনা থেকেই তারা গিয়েছিলেন বলে ধারণা তদন্ত কর্মকর্তাদের।