বাংলাদেশ বর্তমান সময়ে পরাশক্তি একটি ক্রিকেট দল যা শুরু হতে থাকে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর থেকেই। ধীরে ধীরে ভারত পাকিস্তান শ্রীলংকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে হারাতে সক্ষম।

এখন আর আগের মতো বলে কয়ে বাংলাদেশকে হারানো সম্ভব না,বাংলাদেশকে হারাতে হলে করতে হবে বিশেষ কোন পরিকল্পনা আর কঠোর পরিশ্রম তবেই তবেই যদি সম্ভব হয় বাংলাদেশকে হারাতে।

চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের কিছু অংশ :

১.ভারত টেস্ট স্বীকৃতি পায় ১৯৩২ সালে।

২.আর প্রথম টেস্ট জয় পায় ১৯৫২ সালে। অর্থাৎ ভারতের প্রথম টেষ্ট জয় পেতে সময় লাগে ২০ বছর।

৩.বাংলাদেশ টেস্ট স্বীকৃতি পায় ২০০০ সালে।

৪.প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রথম টেষ্ট জয় পেতে সময় লাগে মাত্র ৫ বছর।

৫.ভারতের টেষ্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি আসে ৩২ বছর পর।

৬.বাংলাদেশে টেষ্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি আসে ১২ বছর পর।

৭.ভারত ওয়ানডে স্বীকৃতি পায় ১৯৭১ সালে।

৮.প্রথম ওয়ানডে জয় পায় ৮ বছর পর ১৯৭৯ সালে।

৯.বাংলাদেশ ওয়ানডে স্বীকৃতি পায় ১৯৯৭ সালে।

১০.প্রথম ওয়ানডে জয় পায় মাত্র ১ বছর পর ১৯৯৮ সালে।

১১.ভারত তাদের প্রথম ওয়ার্ল্ড কাপে সবগুলো ম্যাচ হারে।

১২.বাংলাদেশ প্রথম ওয়ার্ল্ড কাপে স্কটল্যান্ড এর পাশাপাশি পাকিস্তানের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে জয় লাভ করে।

১৩.ভারত তাদের ১১ জন প্লেয়ার বের করে ১২১ কোটি লোকের মধ্যে থেকে।

১৪.বাংলাদেশ তাদের ১১ জন প্লেয়ার বের করে মাত্র ১৬ কোটি লোকের মধ্যে থেকে।

১৫.ভারতের ক্রিকেট আজকের অবস্থায় তৈরী হয়েছে ৮১ বছর খেলে।

১৬.বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলে মাত্র ১৬ বছর ধরে।

১৭. আমাদের এই অল্প সময়ে যা অর্জন সেই তুলনায় ভারত অনেক অনেক পিছিয়ে।

তাই বলা যেতেই পারে তোমাদের মতো আমাদের ৮১বছর খেলতে হবে না।  বিশ্ব ক্রিকেটের রাজদন্ড নিয়ে ছিনিমিনি খেলব আমরা