
পাশাপাশি অবস্থিত দুই দেশ- বাংলাদেশ ও ভারত। ভৌগলিক অবস্থানের সাথে সাথে ক্রিকেটীয় সম্পর্কেও দেশ দুটি প্রতিবেশি। তবে তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের একটি আফসোস, টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির পর অনেক বছর কেটে গেলেও এখনও ভারতের বিপক্ষে তৃপ্তি মিটিয়ে সিরিজ খেলতে পারেনি বাংলাদেশ।
ভারতের বিপক্ষে অন্যান্য দেশগুলো যেখানে খেলে থাকে বড় পড়িসরের সিরিজ, সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে ছোট সিরিজও আয়োজন করা হয় না নিয়মিত। আইসিসির নির্ধারিত এফটিপিতে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় কম ওঠেনি। তবে এবার একটু আশ্বাস মিলল ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সিরিজকে কেন্দ্র করে।
সামনের বছরগুলোতে ভারতের বিপক্ষে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। গত সপ্তাহে ভারতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে আইসিসির সভা। সেই সভায় বাংলাদেশের হয়ে উপস্থিত ছিলেন সুজন। দেশে ফিরে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সুজন নিজেই জানান সিরিজগুলো আয়োজনের ব্যাপারে।
তিনি বলেন-
‘অতীতে ভারতের সঙ্গে আমাদের যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলো ছিল আগামীতে তার চেয়ে বেশি হবে।’
নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন অবশ্য পরিষ্কার করে বলেননি সিরিজগুলো সম্পর্কে। তবে ক্রিকেট অঙ্গনে গুঞ্জন, আগামী দুই বছরে ভারতের বিপক্ষে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে তিনটি পৃথক সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।
২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পেলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের বিরুদ্ধে মাত্র ছয়টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে। এর মধ্যে একটি ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হলেও বাকি পাঁচটিই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। সর্বশেষ গত বছর হায়দরাবাদে এক টেস্টের একটি ‘সিরিজ’ অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে,
যদিও মাত্র একটি টেস্টের কারণে একে সিরিজ আখ্যা দেওয়ার যথোপযুক্ত নয়! ঐ টেস্টে ভালো লড়াই করলেও শেষদিনে পরাজয় বরণ করে নেয় বাংলাদেশ। ঐ ম্যাচের সন্তোষজনক পারফরমেন্সের পরই অনেকে দাবি তোলেন ভারতে বাংলাদেশের আরও বেশি ম্যাচ আয়োজনের।
