
২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের সাগতিক ব্রাজিল সেমিফাইনাল ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়। এই দিন মাঠে ছিলেন পাওলিনহো। চলতি বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের কাছে ২-১ গোলে হারারি দিনও মাঠে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার। তাঁর কাছে ৭-১ গোলে পরাজয়ের চেয়ে চলতি আসরে কোয়াটার ফাইনালে কষ্টটাই বেশি।
১৯৫০ বিশ্বকাপে মারাকানাজো ব্রাজিলের আজীবনের দুঃখ। ২০১৩ বিশ্বকাপে নিজ দেশের মাটিতে দুঃখ ভুলতে চেয়েছে ব্রাজিল। দিঃখ ভুলার বদলে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে পরাজিত হয়ে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে যোগ হয়েছে নতুন এক দুঃখ ‘মিনেইরোজো’! যেটি ব্রাজিল বিরোধী সমর্থকদের কাছে ‘সেভেন আপ’ নামে পরিচিত। চলতি আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের কাছে ২-১ গোলে হেরে থেমে গেল ব্রাজিলের স্বপ্নের চাকা।
কিন্তু ব্রাজিললিয়ান মিডফিল্ডার পাওলিনহোর কাছে কাজানে বেলজিয়ামের বিপক্ষে পরাজয় মিনেইরোর কষ্টের চেয়েও বেশি। বেলো হরিজন্তের মিনেইরো স্টেডিয়ামে জার্মানির বিপক্ষে দুঃস্বপ্নের ওই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন পাওলনিহো। সেই ম্যাচে প্রথমার্ধেই ৫ গোল খেয়ে বসে ব্রাজিল। ম্যাচটি শেষ হওয়ার আগেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ব্রাজিলের গ্যালারি। তবে কোয়াটার ফাইনালে পাওলিনহো খেলেছেন শুরুর একাদশে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৭৩ মিনিটের সময় পাওলিনহোকে মাঠ কোচ তিতে। তাকে তুলে নেওয়ার সময় ব্রাজিল ২-০-তে পিছিয়ে।
মিনেইরো আর কাজান-দুটি হারেরই সাক্ষী ব্রাজিল দলের অনেকেই। বাকিরা দুটিকে কীভাবে তুলনা করছেন, কে জানে; কিন্তু পাওলিনহো বলেছেন, ‘আমার কাছে দুটি হারই কঠিন। ২০১৪ সালেরটি খুব বেদনাদায়ক। কিন্তু এটা আরও বেদনাদায়ক।’ শুনে যদি আপনি বিস্মিত হয়ে থাকেন, শুনে নিন পাওলিনহোর ব্যাখ্যাটা, ‘(এখানে) শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত আমরা লড়াই করেছি। ম্যাচটিতে সবদিক থেকেই আমরা ওদের চেয়ে এগিয়ে ছিলাম। এভাবে খেলেও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার কারণেই এটা বেশি কষ্টের।’
