শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেমি ফাইনাল ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের মাঠ থেকে বেরহয়ে আসতে বলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে সমালোচনা পরতে হয়েছে তাকে দিয়েছেন ম্যাচ ফির ২৫% জরিমানা। কিন্তু ৩৬ বছর আগে নিজেই এমন কাজ করা সুনীল গাভাস্কারও সাকিবের সমালোচনা করার আগে দুবার ভাবেননি।

তবে সমালোচনার দিক থেকে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন হরভজন সিং। নিদাহাস ট্রফির সেই ঘটনার জন্য নাকি পুরো বাংলাদেশ দলকেই কয়েক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল।

শৃঙ্খলা-সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে হরভজনের মুখ খোলাটা একটু কঠিনি বটে। আইপিএলে জাতীয় দলের সতীর্থ খেলোয়ার শ্রীশান্তকে চড় মেরেছিলেন হরভজনসিং।

মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলার সময় তো নিজ দলের খেলোয়ার আম্বাতি রাইডুর সঙ্গেও বেধে গিয়েছিল তার। অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসের সঙ্গে তার বর্ণবাদী বিতর্ক এখনো আলোচনার জন্ম দেয়।

সেই হরভজন বাংলাদেশ দলকে সংযত হওয়ার পরামর্শ দিতে গিয়ে শুরুটা করেন এভাবে, ‘এ রকম বেশ কিছু ঘটনায় আমি নিজে জড়িত ছিলাম। তারপরও আমি এই বিষয়ে কথা বলছি। আপনি যখন অতিতে ফিরে যাবেন, তখন এই সব ঘটনার জন্য লজ্জিত হবেন। ক্রিকেটের জন্য এগুলো দুঃখজনক ব্যপার। বাংলাদেশ ক্রিকেট অনেক দর্শক হারিয়েছে।

নিদাহাস ট্রফির সেমি ফাইনাল ম্যাচে আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের মধ্যেকার খেলায় অনাকাঙিক্ষত ভাবে ঘটনাটি ঘটে যায়। ফাইনালে যাওয়ার ডু অর ডাই ম্যাচটিতে আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ম্যাচটি বয়কট করতে চেয়েছিল টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। যার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়। ম্যাচ জয়ের পর অনাকাঙিক্ষতভাবে বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমের কাঁচ ভেঙে যায়।

ম্যাচে কথা কাটাকাটি ও ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য অবশ্য বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটোরের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানাও করা হয়। এতো কিছুর পরেও ভারতীয়রা বাংলাদেশকে নিয়ে নানা কথা তুলছে। ভারতীয় মিডিয়ার পরে এবার হরভজন সিং বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন।

ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে আলোচনায় ফাইনালের আগে পুরো বাংলাদেশ দলকেই নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিলেন হরভজন। তিনি বলেন,‘অবশ্যই বাংলাদেশ যা করেছে, তা করা উচিত হয়নি। তারা এভাবে কিছু ভেঙে ফেলতে পারে না। ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ারিংয়ে কিছু ভুল হতেই পারে। তার জন্য আপনি খেলোয়াড়দের বেরিয়ে যেতে বলতে পারেন না। তারপর আবার উদযাপন করতে গিয়ে জানালার কাঁচও ভেঙে দিলেন।