
২০১১ তে জাতীয় প্রমীলা ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা অলরাউন্ডার চামেলীর পরিবারকে বাঁচাতে হলে আগে তাকে সুস্থ্য করতে হবে।
রাজশাহী নগরীর দরগা পাড়া এলাকায় “ক্রিকেটার চামেলী খাতুনের” নাম বললেই যে কেউ চিনিয়ে দেবে তার পৈত্রীক বাড়িটি। দুই জানালা এক দরজার জরাজীর্ণ ছোট্ট একটি ঘরই এখন চামেলীর পরিবারের ঠিকানা।
দেখে বোঝবার উপায় নেই, ১৯৯৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত এই চামেলীই দাপটের সাথে নিজের নৈপূণ্যতা দেখিয়েছেন জাতীয় পর্যায়ের অ্যাথলেটিক্স, ফুটবল এবং প্রমীলা ক্রিকেটে। কারন আট বছর থেকে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া সহ মেরুদন্ডে হাড়ের ব্যথা নিয়ে চলতে চলতে বর্তমানে মূমুর্ষ অবস্থায় পৌছেঁছেন তিনি। মেরুদন্ডে দুই হাড়ের ফাঁকে থাকা নরম ডিস্ক গুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অবস হয়ে যাচ্ছে তার পুরো ডান পাশ।
এই অবস্থায় অতি স্বত্বর দেশের বাইরে সার্জারির পরামর্শ চিকিৎসকের। যাতে প্রয়োজন অন্তত ১০ লাখ টাকা। আর এই বিষয়টি নজরে আসে মুস্তাফিজুরের। আর তাই অসুস্থ নারী ক্রিকেটার চামেলীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাৎক্ষনিকভাবে ফোন করে বিস্তারিত জানতে চান এবং চামেলীকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা জানান।
চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য দিচ্ছেন কাটার মাস্টার। শুধু চামেলী নয় মোস্তাফিজ অসহায় বিভিন্ন মানুষকে নিয়মিত সাহায্য করে থাকেন। ধন্যবাদ ফিজকে।
