স্মিথ বলেছিলো, “বাংলাদেশ ২-০ তে সিরিজ জিতবে কথাটি শুনে অভাক হলাম। তার কাছে মনে হয়ে ছিলো বাংলাদেশ তাদের কাছে ধরাসাই হবে। তার জবাব এখনি দিলেন সাকিব।

সাকিব আল হাসানের ৫ উইকেট ও মেহেদী হাসান মিরাজের ৩ উইকেটে ঢাকা টেস্টে ২১৭ রানেই গুটিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রান করা বাংলাদেশ পেয়েছে ৪৩ রানের মূল্যবান লিড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন স্কোর। আগের সর্বনিম্ন ছিল ২৬৯ রান, ২০০৬ সালে ফতুল্লায়।

জস হ্যাজলউড সাকিবের বলে ইমরুল কায়েসের হাতে ক্যাচ দিয়ে অজি ইনিংসে সমাপ্তি টানেন। বৃষ্টির কারণে বিলম্বে শুরু হওয়া তৃতীয় ও শেষ সেশনে বোলিংয়ে এসেই কামিন্স-অ্যাগার জুটি (৪৯) ভাঙ্গেন সাকিব। সাকিবের বলেই নতুন জীবন পাওয়া প্যাট কামিন্সকে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চেয়ে তখনও ৬৪ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।

সাকিবের বলে কামিন্সের সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন শফিউল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১৬৬। নবম উইকেটের অপেক্ষায় থেকে দ্বিতীয় সেশন শেষ করে স্বাগতিক শিবির। শফিউসের ক্যাচ মিসের সুবাদে এ জুটিতে যোগ হয় আরও ২৭ রান।

শেষ সেশনে অস্ট্রলীয়াকে মাঠে দারাতেই দেয়নি সাকিব। মাঠে নেমে ২২ রান সংগ্রহ করেন অস্ট্রেলিয়া। সেখানে ২ উইকেটে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ারর ইনিংস শেষ করেন। এবং সাকিব তার ব্যাক্তিগত ৫ উইকেট পূর্ণ করেন।