
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ অনেক ভালো খেলছে, অথচ বিসিবি কাঁচি চালাল খেলোয়াড়দের চুক্তিতে! চুক্তিভুক্ত ১৬ খেলোয়াড়ের সংখ্যা নেমে এল ১০ জন। এর পর ‘রুকি’ শ্রেণিতে যদি কেউ যোগ হনও, তাহলে সেটি হবে তরুণদের মধ্য থেকে। খেলোয়াড়দের প্রতি এ ভারি অন্যায়।
সৌম্য সরকার এই মুহূর্তে নিজ জেলা সাতক্ষীরায় অবস্থান করছেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে তাঁর মেজো ভাই পুষ্পেন সরকারের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক এই উৎসবের মধ্যেই পেয়েছেন এই দুঃসংবাদ। মন খারাপের দিনেও সৌম্যকে হাসিমুখে থাকতে হচ্ছে। এ যেন ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে ধেয়ে আসা বাউন্সার বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর শর্ত! চুক্তি থেকে বাদ পড়ার কথা বলতেই সৌম্যর আপত্তি, ‘আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম, আবারও মনে করিয়ে দিলেন!’
চাইলেই তো বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। সৌম্যও বাস্তবতা মেনে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে ফিরে আসার চ্যালেঞ্জটাও নিচ্ছেন, ‘ভালো কিছু করতে পারিনি বলেই চুক্তিতে নেই।
এমনভাবে ফিরতে চাই যাতে জাতীয় দলে জায়গাটা আর নড়বড়ে না হয়। ঘরোয়া ক্রিকেট কিছু রান করে ফিরলাম এমন নয়। এমনভাবে ফিরতে চাই যেন জাতীয় দলে ধারাবাহিক ভালো খেলতে পারি। এসব নিয়ে ভাবতে চাই না। আমার কাজ ভালো খেলা। সেটাতেই মনোযোগ রাখতে চাই।’
