পিএসজির পিছু ছাড়ছে না দুঃসংবাদ। গত মৌসুমে রেকর্ড ট্রান্সফার ২২২ মিলিয়নে বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে দলে ভেড়ায়য় পিএসজি। পর থেকেই ঝামেলায় পড়ে যায় ক্লাবটি। কারণ ট্রান্সফারের জন্য যা খরচ করতে পারবে পিএসজি তার থেকে বেশি খরচ করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছে অন্য দলগুলো। এই অভিযোগের কারণে ক্লাবটির অর্থ ব্যয়ে কোনো রকম গড়মিল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে উয়েফা। এর যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে নিষিদ্ধ হবে পিএসজি।

গত মৌসুমে নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপেকে দলে ভেড়াতে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করেছে পিএসজি। ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেন, সুষ্ঠু আর্থিক লেনদেন নীতিমালার আওতায় পিএসজির খেলোয়াড় কেনা সংক্রান্ত বিষয়াদি তদন্ত করা হচ্ছে।  গত বছর রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে দলে আনে পিএসজি। আর মোনাকো থেকে এমবাপেকে দলে আনতে ১৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে ক্লাবটি।

উয়েফা জানিয়েছে, পিএসজির বিপক্ষে আনুষ্ঠানিক তদন্ত করা হচ্ছে। রুলস অনুযায়ী, কোনো ক্লাব প্রতি ৩ বছরে মোট আয়ের চেয়ে ৫ মিলিয়ন ইউরো বেশি ব্যয় করতে পারবে। সেক্ষেত্রে নেইমার-এমবাপের পেছনে যে অর্থ খরচ করেছে তাতে নীতিমালা ভঙ্গ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে দলবদল নিয়ে উয়েফার আর্থিক তদন্তের বিষয়ে বিম্ময় প্রকাশ করেছে ফরাসি ক্লাবটি।বিবৃতিতে কাতার-মালিকানাধীন ক্লাবটি জানিয়েছে, দলবদল সংক্রান্ত উয়েফার সব নীতিমালা মানা হয়েছে। চুক্তির সব কাগজপত্র জমা দেয়া হয়েছে। সেখান থেকেই সব তথ্য পাওয়া যাবে। এর পরও তদন্ত ঘোষণা বিম্ময়কর।

ইতোমধ্যে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস। তাতে নেইমার-এমবাপের সঙ্গে পিএসজির চুক্তি নিয়ে গড়মিল আছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদি উয়েফার তদন্তে তা সত্য প্রমাণিত হয় তা হলে আসন্ন ইউরোপ সেরা টুর্নামেন্টে নিষিদ্ধ হবে ক্লাবটি।